সোমবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২২

বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর আবির্ভাব তিথি কখন কবে ?


 বসন্ত পঞ্চমী বড় মধুর তিথি ৷ এই দিনে প্রকৃতি নুতন মাধুরী লইয়া জীবের মনরঞ্জন করে এবং প্রানে অপ্রাকৃত নব নব ভাবের সঞ্চার করিয়া দেয় ৷ এই জন্য এই তিথিকে শ্রীপঞ্চমী বলা হয় ৷ এ হেন মধুময়ী তিথিতে পরম প্রেমমূর্ত্তী শ্রী শ্রী বিষ্ণুপ্রিয়া জগতে অবতীর্ন হন ৷ এই দিনে সকল বিদ্যার অধিস্ঠাত্রী পরমজ্ঞানস্বরূপিনী দেবী সরস্বতীর পূজা হইয়া থাকে ৷ শ্রীশ্রী সরস্বতী দেবী জীবের অজ্ঞানতমঃ নাশ করিয়া জ্ঞানলোক প্রদান করেন ৷ ইহার কৃপায় জ্ঞানচক্ষুঃ উন্মীলিত হইলে শ্রী ভগবান কি বস্তু , জীব তাহা জানিতে সমর্থ হয়, এবং তাহার পরই জীবের ভক্তি ও প্রেমের উদ্রেক হয়, তখন মানব পঞ্চম পুরুষার্থ প্রেম পাইয়া ধন্য হইয়া যায় ৷ তাই এই তিথী জীবের নিকট পরম শুভ তিথি এই দিনের স্মরনে পর্যন্ত প্রানে অপার ১১আনন্দের সঞ্চার হয় ৷                              ১৪১৭ শকে অর্থাৎ ১৪৯৫ খ্রীস্টাব্দে দেবী জন্ম গ্রহন করেন ৷ ইহার পিতার নাম সনাতন মিশ্র, মাতার নাম মহামায়া ৷ দেবী বিষ্ণুপ্রিয়া যখন ভুমিষ্ঠ হন তখন শ্রী গৌরাঙ্গের বয়স ১০ বৎসর ৷ হরিবল  হরেকৃষ্ণ  ৷

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বংশী, নূপুর, গুঞ্জামালা, শিখিপুচ্ছ — এরা কৃষ্ণ অঙ্গের ভূষন কিভাবে হইল ? এরা পূর্ব্বজন্মে কে কে ছিলেন ? কি পূণ্যের ফলে এরা পূর্ণব্রহ্ম শ্রীকৃষ্ণের অঙ্গের ভূষন হইল ?

              একদিন নারদ মুনি ব্রহ্মার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করিলেন , অন্যান্য সকল ভক্ত হতে কি কারণে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ শিখিপুচ্ছ, গুঞ্জামালা,  ন...