চৈত্রের শুক্লা নবমী তিথিতে একমাত্র পরমব্রহ্ম রঘুকুল ধুরন্ধর রাম আবির্ভূত হইয়াছিলেন ৷ সেই দিনকেই বলা হয় রামনবমী ৷ সুতরাং তদ্দিনে উপবাস ব্রতাদির অনুষ্ঠান কর্ত্তব্য ৷ঐ তিথি পুনর্ব্বসুযুক্ত হইলে নিখিল কামফল প্রদাত্রী হইয়া থাকেন ৷ মধ্যাহ্ন সময়ে পুনর্ব্বসুর যোগ হইলে, ঐ তিথি মহা পূণ্যস্বরূপা হন ৷ হরিপরায়ন ব্যক্তিরা অষ্টমী বিদ্ধা নবমী বর্জ্জন পূর্ব্বক শুদ্ধা নবমীতে উপবাসী থাকিয়া দশমীতে পারনা করিবেন ৷
রাম নবমীর মাহাত্ম্য -- শ্রীরামনবমী কোটি সূর্য্য- গ্রহন অপেক্ষাও শ্রেষ্ঠ ৷ শ্রীরাম নবমী দিবসে ভক্তি সহকারে রামের উদ্দেশে যে কোন কর্ম্ম করা যায় তাই ভববন্ধন ছেদনের হেতু হয় ৷ অতদ্রিত হইয়া রামনবমীতে উপবাসী থাকিলে সেই ব্যক্তিকে আর জননী জঠরে প্রবেশ করতে হয় না এবং তিনি নিঃসন্দেহে রঘুনাথের প্রিয়পাত্র হন ৷ সুতরাং রাম নবমী ব্রতানুষ্ঠান পূর্ব্বক নিখিল পাতক হইতে বিমুক্ত হইয়া সনাতন ব্রহ্ম রঘুবরকে লাভ করা সকল ব্যক্তির পক্ষেই উচিত ৷ ভক্তি সহকারে রামনবমী ব্রতে উপবাসী থাকিলেই কৃতকৃত্য হইয়া নিখিল পাতক হইতে পরিত্রান পাইতে পারে ৷
" জয় শ্রীরাম "
" জয় সীতারাম "
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন