সোমবার, ৭ মার্চ, ২০২২

রাম নবমী কবে কখন কিভাবে পালন করতে হয় ? এবং এর মাহাত্ম্য কি ?

 


      চৈত্রের শুক্লা নবমী তিথিতে একমাত্র পরমব্রহ্ম রঘুকুল ধুরন্ধর রাম আবির্ভূত হইয়াছিলেন ৷ সেই দিনকেই বলা হয় রামনবমী ৷ সুতরাং তদ্দিনে উপবাস ব্রতাদির অনুষ্ঠান কর্ত্তব্য ৷ঐ তিথি পুনর্ব্বসুযুক্ত হইলে নিখিল কামফল প্রদাত্রী হইয়া থাকেন ৷ মধ্যাহ্ন সময়ে পুনর্ব্বসুর যোগ হইলে, ঐ তিথি মহা পূণ্যস্বরূপা হন ৷ হরিপরায়ন ব্যক্তিরা অষ্টমী বিদ্ধা নবমী বর্জ্জন পূর্ব্বক শুদ্ধা নবমীতে উপবাসী থাকিয়া দশমীতে পারনা করিবেন ৷

    রাম নবমীর মাহাত্ম্য -- শ্রীরামনবমী কোটি সূর্য্য- গ্রহন অপেক্ষাও শ্রেষ্ঠ ৷ শ্রীরাম নবমী দিবসে ভক্তি সহকারে রামের উদ্দেশে যে কোন কর্ম্ম করা যায় তাই ভববন্ধন ছেদনের হেতু হয় ৷ অতদ্রিত হইয়া রামনবমীতে উপবাসী থাকিলে সেই ব্যক্তিকে আর জননী জঠরে প্রবেশ করতে হয় না এবং তিনি নিঃসন্দেহে রঘুনাথের প্রিয়পাত্র হন ৷ সুতরাং রাম নবমী ব্রতানুষ্ঠান পূর্ব্বক নিখিল পাতক হইতে বিমুক্ত হইয়া সনাতন ব্রহ্ম রঘুবরকে লাভ করা সকল ব্যক্তির পক্ষেই উচিত ৷ ভক্তি সহকারে রামনবমী ব্রতে উপবাসী থাকিলেই কৃতকৃত্য হইয়া নিখিল পাতক হইতে পরিত্রান পাইতে পারে ৷


                       " জয় শ্রীরাম "

                     " জয় সীতারাম "


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বংশী, নূপুর, গুঞ্জামালা, শিখিপুচ্ছ — এরা কৃষ্ণ অঙ্গের ভূষন কিভাবে হইল ? এরা পূর্ব্বজন্মে কে কে ছিলেন ? কি পূণ্যের ফলে এরা পূর্ণব্রহ্ম শ্রীকৃষ্ণের অঙ্গের ভূষন হইল ?

              একদিন নারদ মুনি ব্রহ্মার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করিলেন , অন্যান্য সকল ভক্ত হতে কি কারণে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ শিখিপুচ্ছ, গুঞ্জামালা,  ন...